এটা প্রায় নিশ্চিত যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তে ভবিষ্যৎ এ লাইট ট্যাংক (Light tank) কেনা হলে তা হবে চীনা VT-5. তবে এ খবর শোনার পর আমাদের অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে যে, আমাদের কাছে যখন CV-90 এর মতো ভালো অপশন ছিলো তখন আমরা কেন চীনা VT-5 কিনতে গেলাম??
আসলে ব্যাপারটি হচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী Light Tank এর জন্য যে স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করেছে তাতে Light Tank এর নির্মাতা কে অবশ্যই Group-B এর দেশ হতে হবে অর্থাৎ এ শরতের মাধ্যমেই CV-90 এর মতো ইউরোপীয় ট্যাংক গুলা, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী র ভবিষ্যৎ লাঈট ট্যাংকক হবার দৌড় থেকে ছিটকে গেসে। সেনাবাহিনী সম্ভবত দামের কারনে এ কাজটি করেছে, কারন সেনাবাহিনী চায় সবচেয়ে কম দামে সবচেয়ে ভালো জিনিস কিনতে। তো গ্রুপ বি এর দেশগুলোর Light Tank এর মধ্যে চীনা VT-5 ই সেনাবাহিনী র সবগুলো রিক্রুয়ারমেন্ট চাহিদা পূরন করতে পেরেছে। পাশাপাশি এর দাম ও কম হবার কারনে সেনাবাহিনী VT-5 কেই Light Tank হিসেবে কেনার জন্য নির্ধারণ করেছে।
VT-5 হচ্ছে চীনা দের নিজেদের তৈরীকৃত একদম নতুন একটি লাইট ওয়েট মেইন ব্যাটেল ট্যাংক!এটি ওজনে অন্যান্য ভারী এমবিটি থেকে অনেকটাই হালকা এবং এটিকে প্রস্তুুত ই করা হয়েছে জঙ্গলে,পার্বত্য অঞ্চলে ওপারেট করার জন্যে।এটির মুল দিক হচ্ছে উন্নত মবিলিটি/চলাচল।এটি মাত্র ৩৩ থেকে ৩৬ টন কিন্তুু এতে অাছে ERA(এক্সপ্লোসিভ রিয়েক্টিভ অার্মার),কম্পোসিট অার্মার এবং অন্যান্য!তাছাড়া অাছে একটি ১০৫ এমএম এর বিদ্ধংসী কামান যা হয়ত অাগামীতে ১২০/১২৫ এমএম কামান দ্বারা রিপ্লেস করা হতে পারে।প্রস্তুুতকারক কম্পানি নরিনকো এর মতে এটি এয়ারবর্ন ট্রুপস রা ব্যাবহার করতে পারবে এবং এটি দ্বারা চীনা সেনাবাহিনীর T-62 এর বহর রিপ্লেস করা হবে।
মুল বিষয়াবলী
দৈর্ঘ : ৯.২ মিটার
উচ্চতা : ২.৫ মিটার
প্রসস্ত : ৩.৩ মিটার
ওজন : ৩৩ থেকে ৩৬ টন
অস্ত্র সস্ত্র
১টি ১০৫ এমএম এর কামান। (ATGM :?)
১টি ১২.৭ এমএম এর ম্যাসিন গান,১টি ৭.৬২ এমএম এর ম্যাসিন গান।
৪০এমএম এর ১টি গ্রেনেড লঞ্চার।
কবজ
ERA(এক্সপ্লোসিভ রিয়েক্টিভ অার্মার),কম্পোসিট অার্মার এবং অন্যান্য সুরক্ষা ব্যাবস্হা!
মবিলিটি
ইঞ্জিন : ডিসেল ইঞ্জিন
গতি : ৭০ কিঃমিঃ প্রতি ঘন্টায়
রেঞ্জ : ৪৫০ কিঃমিঃ
স্পেকস দেখে এটি প্রায় অন্যান্য ভারী এমবিটির সমান!এটির অাবার একটি সুবিধা অাছে যে অন্যান্য ভারী এমবিটি যেই জায়গায় পৌছাতে পারবে না এটি সেই জায়গায় নিজের শক্তি প্রদর্শন করতে পারবে যেমন পাহাড়ের উচায়।
তাছাড়া বাংলাদেশ বর্তমানে লাইট ট্যাংক ও এমবিটি এর খোজে অাছে!এটি হয়ত একটি যোগ্য প্রতিদ্বন্দী হতে পারবে!

দূরপাল্লার রকেট অার্টিলারী A-300 GMLRS কিনবে বাংলাদেশ।

A-300 হচ্ছে চীনের তৈরী একটি অত্যাধুনিক গাইডেড রকেট অার্টিলারী।এর মুল কাজ হচ্ছে অনেক দূর থেকে শত্রুর গুরুত্ব পূর্ণ স্হাপনা সমূহ তে অাক্রমন চালানো।যেমন : সৈন্য ক্যাম্প,স্যাম সিস্টেমস,বিমানবন্দর এবং নৌঘাটি অথবা অন্যান্য গূরুত্ব পূর্ণ স্হান সমূহ তে।
প্রতিটি ইউনিট এ ৩০০এমএম এর রকেট বহনকারী ৮টি লঞ্চার রয়েছে যা ২টি পড এ বিভক্ত।এর রকেট গুলি GPS ও Inertial গাইডেন্স সিস্টেম ব্যাবহার করে।
বর্তমানে এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে দূরপাল্লার রকেট অার্টিলারী।এর ফায়ারিং রেঞ্জ ২৯০ কিঃমিঃ!প্রতিটি রকেট এর ওজন ৮০০ কেজি এবং এগুলো ১৫০কেজি বিষ্ফোরক ব্যাবহার করে!
তাছাড়া এটি কে বহনকারী গাড়ি সহ এর ওজন ৪০টন এবং গাড়ির গতি সর্বোচ্চ ৭০ কিঃমিঃ প্রতি ঘন্টা ও রেঞ্জ ১০০০ কিঃমিঃ এর মত।
DTB ও BDmilitary এর মতে বাংলাদেশ এই সিস্টেম হয়ত কিনতে পারে এবং সম্ভবনা অনেকটাই বেশী!
এটা যদি কেনা হয় তাহলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এর সক্ষমতা অনেকটা বেরে যাবে তা হয়ত বুঝতেই পারছেন।

★চাইনিজ HQ-9 মিসাইল★HQ-9 SAM system★




HQ-9 চীনের তৈরী অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা বা স্যাম। এটি এস-৩০০PMU এর চাইনিজ কপি হলেও এটি এস-৩০০PMU থেকে উন্নত।এটির রেন্জ সম্পর্কে চীন তেমন কিছু প্রকাশ করে নি।ধারনা করা হয় এটির রেনজ ২০০ কিলোমিটার থেকে। ফোর্সেস গোলের আওতায় বাংলাদেশ ২০১৯ সালের আগে এটি পেতে পারে।যেহেতু এটি কিনার সম্ভবনা খুব বেশি।।কিছু সুত্র মতে এটির ব্যাপারে চীন এবং বাংলাদেশের আলোচনাও শেষ পর্যায়ে ।এছাড়াও বাংলাদেশ LY-80E ক্রয় করছে।আমরা সম্ভবত HQ-9A ভার্ষন কিনব।এটি এর লেটেষ্ট ভার্ষন।
HQ-9(FD-2000 এক্সপার্ট ভার্সন) হচ্ছে চীনের CPMIEC এর নির্মিত একটি মিডিয়াম-টু-লংরেঞ্জ
এক্টিভ-রাডার-হোমিং SAM Systems. যা মূলত রাশিয়ান S-300PMU এর চীনা লাইসেন্স ভার্সন। তবে আমেরিকা ও রাশিয়া যেখানে তাদের MIM-104 Patriot & S-300/400 SAM Systems গুলোতে PESA রাডার ব্যবহার করে
সেখানে চীন তাদের state-of-the-art AESA রাডার সিস্টেমস ব্যবহার করে।
HQ-9 এর প্রতিটি ব্যাটারি তে থাকে ১টি টাইপ ৩০৫বি সার্চ রাডার,১টি ট্রেকিং রাডার, ১টি ২০০kwডিজেল।জেনারেটর ট্রাক এবং ৮টি ট্রান্সপোর্টার ইলেক্ট্রো
লাঞ্চারস(TELs),যার প্রতিটি ট্রাক ৪ টি করে লাঞ্চার টিউব বহন করে অর্থাৎ ৩২টি SAM Missile সবসময় রেডি থাকে। আর এই সমস্ত কিছু বহন করে হেভি ট্রাক। এই সাধারণ প্যাটার্ন কে আর এক্সপেন্ড করে একে আরো
শক্তিশালী করা যায়, যা মূলত মেইন এয়ার ডিফেন্স প্লাটফর্ম হয় আর তখন এতে থাকে ১টি TWS-312 কমান্ড পোষ্ট, ১টি সাইট সার্ভে ভেহিকেল(HUMVEE), ১টি মেইন পাওয়ার গ্রিড কনভার্টোর, ৮+টি TAS5380 TELs (মিসাইল লাঞ্চার বহনকারী ভেহিকেল), ১টি Type-120
লো-আল্টিটিউড-সার্চ-রাডার, ১টি Type-305A AESA সার্চ রাডার যা সম্পূর্ণ এন্টি-ব্যালিস্টিক-মিসাইল ক্ষমতা সম্পন্ন এবং ১ টি প্যাসিভ রাডার যা স্টিলথ টার্গেট কে ডিটেক্ট করার জন্য। এই পুরো মোবাইল বেসড SAM সিস্টেমকে খুব দ্রুতো মোতায়েন করা যায় কয়েক মিনিটের ভেতর
এবং এর জন্য এর ক্রুদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও দেয়া হয়।

.
এই HQ-9 তেও রয়েছে রাশিয়ান S-300V এত।মতো Two-Stage-Missile. এই মিসাইল গুলোর দৈর্ঘ্য ৬.৮ মিটার এবং ওজন ২ টন হয়, এতে ১৮০ কেজির ওয়ারহেড থাকে। এই SAM Missiles গুলোর স্পিড হয় Mac 4.2 এবং রেঞ্জ সর্বচ্চ 200km এবং 27 km উচ্চতার টার্গেট কে হিট করতে সক্ষম। এই মিসাইল গুলোর ইন্টারনাল + মিড কোর্স থার্মাল রাডার গাইডেন্স।সিস্টেম রয়েছে। এই মিসাইল সিস্টেমস ব্যালিস্টিক* মিসাইল ধ্বংস করতেও সক্ষম।
.
এই মিসাইল সিস্টেমস এর সার্চ রাডার এর সর্বোচ্চ রেঞ্জ চীন ঠিক মত প্রকাশ করেনা তবে যতটুকু জানা যায় এর রেঞ্জ ২০০ কি:মি:। তুরস্ক এটি ক্রয় করাতে চেয়েছিলো কিন্তু ন্যাটোর বাধার মুখে ডিল টা থেমে আছে। ২০১৫ সালের যুহাই এয়ার-শোতে এক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল যে এর রাডার কন্টাক্ট থেকে মিসাইল এনগেজ করতে ১২-১৫ সেকেন্ড সময় লেগেছিলো।

Future Army of Bangladesh..বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিক গিয়ারস্।

Future Army of Bangladesh


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়িত মডিওলার গিয়ারস্। সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এতে যুক্ত করা হয়েছে সর্বাধুনিক সব যন্ত্রপাতি। প্রত্যেক সেনার জন্য খরচ হচ্ছে ৭ লাখ টাকা। আমাদের এই গিয়ারসকে আমেরিকা, রাশিয়া সহ যেকোন দেশের সেনাদের গিয়ারস্ এর সাথে তুলনা করা যায়। নিম্নে এর বর্ণনা দেওয়া হলো।
১. Night Vision Goggles (NVG):
আমাদের সেনাবাহিনীর নাইট ভিসন গোগালস সুইডেন থেকে আপগ্রেডকৃত। রাতে বা স্বল্প আলো যুক্ত জায়গায় যেমন: গুহা, গত্য, টানেল, সুরঙ্গ বা, অন্ধকার দালানে এটার সাহায্যে সহজেই শত্রু বা পথচলা যায়। টর্চ লাইটের মত কাজ করেও শত্রুকে আচঁ পেতে দেয় না।
২.Ballastic Kavler Halmet:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি এই হেলমেট অত্যন্ত আঘাত সহিষ্ণু। খুব হালকা এবং শক্তিশালী আরমরের হেলমেটটি যেকোন গুলি বা আঘাত থেকে সৈন্যকে রক্ষা করে।
৩.Protective Eye Gears:
সৈনিকের চোখকে মারাত্মক বায়ূপ্রবাহ, ধুলা-বালি এবং উড়ন্ত বস্তুর হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও প্যারা জাম্পের মত উচ্চতাজনিত ট্রেইনিং, উচুঁ পাহাড় বা ঘন তুষারে চোখকে নিরাপদ রাখে।
৪. Bullet Proof Body Armour:
এটি স্থানীয়ভাবে আমাদের Bangladesh Ordinance Factory (BOF) তৈরি করে। ম্যালামাইন প্লেটেড এই আরমরটি সহজেই 7.62 x 39mm এর বুলেট সহ্য করতে পারে। এটি ন্যাটো বুলেট দ্বারাও পরীক্ষিত।
৫. ACOG SIGHT:
তাইওয়ানে নির্মিত ACOG SIGHT, BD-08 MK-II ভার্শনের সাথে সংযুক্ত। এই AR ভার্শনে চিরাচরিত Iron Sights ছাড়াও Red Dot Sight ও ACOG Sight সংযোজন করা যায়। রাইফেল স্থির রেখে বেশী দূরত্বে নির্ভুল গুলিবর্ষণের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
৬. BD-08 MK-II:
BD-08 MK-II Assault Rifle বাংলাদেশে তৈরি BD-08 MK-I এর উন্নত ভার্শন।
৭. Hand to Hand Communicator:
যুদ্ধাবস্থায় শত্রু হতে আড়াল হতে সবসময় নিঃশব্দ থাকতে হয়। এমন অবস্থায় সহযোদ্ধাদের সাথে এমনকি দরকার হলে কমান্ড সেন্টার এর সাথে যোগাযোগের জন্য এই যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
৮. GPS System:
GPS System এই সকল সিস্টেমের সবচেয়ে দামি এবং উচ্চ প্রযুক্তির সিস্টেম। এর মাধ্যমে একজন সৈনিক সরাসরি উপগ্রহের সাথে যোগাযোগ রেখে তার ভৌগলিক অবস্থান নিশ্চিত করে এবং সামনে থাকা সম্ভাব্য বিপদ এবং শত্রু বাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।
এই গিয়ারস্ এ সেনাবাহিনী সাজানোর প্রকিয়া শুরু হয়েছে। ২০১৭-১৮ সালের মধ্যে এই গিয়ারস্ এ পুরো বাহিনী সাজানোর পরিকল্পনা আছে।

রাশিয়ার তৈরি একটি এটাক হেলিকপ্টার Kamov Ka-50



Kamov Ka-50
এটি রাশিয়ার তৈরি একটি এটাক
হেলিকপ্টার। আধুনিক অস্ত্র সমৃদ্ধ
এটি রাশিয়ার একটি অন্যতম প্রধান
এটাকিং হেলিকপ্টার। ক্রস প্রপেলার
যুক্ত এই হেলিকপ্টার টি ব্ল্যাক শার্ক
নামেও পরিচিত। এটির কোন টেইল
রোটর নেই, (যে টা লেজের পাখা) ক্রস
পাখার জন্যে এর দরকার হয়না,
যা একে স্টেবল রাখে। রাশিয়ার
পাশাপাশি এটি ইরাকের আর্মিও
ব্যাবহার করে। চলুন জানা যাক এর
বিস্তারিত,
Specifications :
Role: Attack helicopter, scout helicopter
National origin: Soviet Union/Russia
Introduction: 28 August 1995
Status: In service
Primary user: Russian Air Force ( VVS )
Produced 1990-present
Number built: Ka-50: 32
Developed from: Kamov V-80
Crew: One
Length: 16.0 m (52 ft 6 in)
Rotor diameter: 14.5 m (47ft 7 in)
Height: 4.93 m (16 ft 2 in)
Empty weight:7,700kg(17,000 lb)
Loaded weight: 9,800kg(21,600 lb)
Max. takeoff weight: 10,800 kg (23,810 lb)
Powerplant : 2 × Klimov TV3-117 turboshaft , 1,641
kW (2,200 shp) each
Top speed : 350 km/h (189 knots,
217 mph) in dive
Maximum speed: 315 km/h (170 knots, 196
mph) in level flight
Cruise speed: 270 km/h (146 knots, 168mph)
Range: 545 km (339 miles)
Ferry range : 1,160 km (720mi) with 4 drop tanks
Service ceiling: 5,500 m (18,000 ft)
Rate of climb : 10 m/s (32.8ft/s)
Rockets: 80 x 80 mm S-8 rockets and 20 x 122
mm S-13 rocket
Missiles: 2 x APU-6 Missile racks
Bombs: 4x 250 kg (550 lb) bombs or 2x
500 kg (1,100 lb) bombs
Other: 23 mm UPK-23-250 gun pods (240 rounds
each)
Unit cost: 500 million rubles (approx.$16 million)
এতসব অস্ত্র আর যুদ্ধসরঞ্জাম এই
হেলিকপ্টার টাকে খুবই মারাত্মক
করে তুলেছে।
সত্যি এটি একটি বিশালদেহী অতিকায়
যুদ্ধযান।

মুহুর্তে নির্ভূল লক্ষ্যভেদের মাধ্যমে ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারে প্রতিপক্ষকে এই Ohio SSBN

মুহুর্তে নির্ভূল লক্ষ্যভেদের মাধ্যমে ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারে প্রতিপক্ষকে। Ohio SSBN ঠিক তেমনই একটি সাবমেরিন, যার মালিক বর্তমানে ইউ.এস. নেভী। এই সাবমেরিনটি একসাথে ২৪টি নিউক্লিয়ার মিসাইল বহন করতে সক্ষম। তার পাশাপাশি সাবমেরিনটি একসাথে ১৫৪টি Tomahawk Cruise Missile বহন করতে পারে। ১৫ জন অফিসার সহ সর্বোচ্চ ১৪০ জন ক্রু বহন করতে সক্ষম এই সাবমেরিনটি যেকোন পরিস্থিতিতে মিসাইল ছুঁড়ে ১০০০ মাইলেরমধ্যে আক্রমণকারী প্রতিপক্ষকে ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারে।
এক নজরে Ohio SSBN :
Type : SSBN/SSGN (Hull Design SCB-304)
Place Of Origin : United States Navy
Displacement : 16,764 Tonnes (16,499 Long Tons) Surfaced & 18,750 Tonnes (18,450 Long Tons) Submerged.
Length : 560 ft (170 m)
Beam : 42 ft (13 m)
Propulsion :
• 1× S8G PWR Nuclear Reactor
• 2× Geared Turbines; 60,000 Shp (45 MW) Fairbanks Morse Auxiliary Diesel
• 1× 325 hp (242 kW) Auxiliary Motor
• 1 Shaft with Seven-Bladed Screw
Speed :
• 12 knots (22 km/h; 14 mph) Surfaced
• 20 knots (37 km/h; 23 mph) Submerged (Official)
• 25 knots (46 km/h; 29 mph) Submerged (Reported)

Test Depth : +800 ft (240 m)
Crew : 15 Officers, 140 Enlisted
Sensors and Processing Systems :
• BQQ-6 Passive Bow-mounted Array
• BQR-19 Navigation
• TB-16 or BQR-23 Towed Array
• BQR-25 Conformal Array
Armament :
• 4 × 21 in (53 cm) Mark 48 Torpedo Tubes (Midships)
• 24 × Trident I C4 SLBM With Up To 8 MIRVed 100 ktTNT W76 Nuclear Warheads Each, Range 4,000 nmi (7,400 km; 4,600 mi)
• 22 Tubes, Each With 7 Tomahawk Cruise Missiles, Totaling 154.

সুইডেনের তৈরি ডেল্টা উইং লাইটওয়েট মাল্টিরোল ফাইটার।

Saab JAS-39 Gripen.
গ্রিপেন সুইডেনের
তৈরি ডেল্টা উইং লাইটওয়েট
মাল্টিরোল ফাইটার। ১৯৭৯
সালে সুইডেন সরকার
একটি শক্তিশালী ও
কার্যকরী বিমান নির্মাণের
পরিকল্পনা গ্রহন
করে যা একইসাথে আকাশ যুদ্ধ,
ভূমিতে বোমাবর্ষণ ও
গোয়েন্দাগিরি করার জন্য
বিশেষভাবে পারদর্শী।
এটি প্রথম সার্ভিসে আসে ১৯৯৭
সালের পহেলা নভেম্বর।
সুইডিশ এরোস্পেস
কোম্পানি (SAAB) নির্মিত
সুপারসনিক এই
বিমানটির সর্বোচ্চ গতি ম্যাক
২ (২২০৪ কিঃমিঃ/ ঘণ্টা)/
ইউরোপিয়ান
এবং ন্যাটো স্ট্যান্ডার্ডে তৈরি এই
বিমানের পরিচালন ব্যয়
তুলনামুলকভাবে কম।
বর্তমানে সুইডেন ছাড়াও
দক্ষিন আফ্রিকা, থাইল্যান্ড,
ইংল্যান্ড, হাঙ্গেরি, চেক
প্রজাতন্ত্রের বিমান
বাহিনীতে এই বিমান ব্যবহৃত
হচ্ছে। BAF সুইডেন থেকে কিনতে চেয়েছিল
কিন্তু কারন বশতঃ পরে বাতিল হয়।

.....AK-12 rifle.....

.....AK-12 rifle.....
এটি একে সিরিজের সবচেয়ে আধুনিক ও
কার্যকরি রাইফেল | এটি রাশিয়ায়
তৈরী | এটি ২০১০
সালে সার্ভিসে আসে | এটির প্রধান
বিশেষত্ব হচ্ছে এতে ak-47,ak-74,m4
রাইফেলের বুলেট ও 9*39mm বুলেট এই
রাইফেলে কাজ করে | এর রেঞ্জ ৮০০
মিঃ |
Specifications
Weight 3.3 kg
Length: 945 mm (37.2 in)
Barrel length: 415 mm (16.3 in)
Cartridge: 5.45×39mm
5.56×45mm NATO
7.62×39mm
9×39mm
7.62×51mm NATO
Action: Gas-operated, long stro
gas piston, rotating bol
Rate of fire: 650 (full auto) or 1000 (
round burst) rounds/mi
Muzzle velocity: 900 m/s
Effective firing range 800 m
Feed system: 30-round

আগামী ২০২০ সালের মধ্যে দূরপাল্লার এভিয়েশানের জন্য নতুন প্রজন্মের প্রসপেকটিভ এয়ার কমপে্লকস (Pak DA) বোম্বার পেতে যাচ্ছে।



রুশ বিমান বাহিনী আগামী ২০২০
সালের মধ্যে দূরপাল্লার
এভিয়েশানের জন্য নতুন
প্রজন্মের প্রসপেকটিভ এয়ার
কমপে্লকস (Pak DA) বোম্বার
পেতে যাচ্ছে। এর
আগে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, এই
সরবরাহ ২০২৫ সাল নাগাদ করা হবে।
গত সপ্তাহে রাশিয়ার
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের
ওয়েবসাইটকে দেওয়া এক
সাক্ষাত্কারে এ কথা বলেন রুশ
বিমান বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত
ডেপুটি কম্যান্ডার মেজর
জেনারেল আলেকসান্দর
চেরনিয়ায়েভ। তিনি বলেন, আমার
মনে হয় প্রথম সরবরাহটি ২০২০ সাল
নাগাদ হবে।
রাশিয়ার দূরপাল্লার এভিয়েশান
কম্যান্ডার মেজর জেনারেল
আনাতোলি ঝিখারেভ বলেন,
বিমান বাহিনী নতুন স্ট্রাটেজিক
বোম্বার পেতে পারে ২০২৫ সালে।
চেরনিয়ায়েভ বলেন, নতুন
স্ট্রাটেজিক বোম্বারের আকার-
আকৃতি ও বাহ্যিক অবয়ব
ইতিমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকেৌশলীরা এখন কাজ করছেন, এর
সুনির্দষ্টি অপারেশনাল
রিকোয়্যারমেন্টগুলো নিয়ে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
গত মাসের মাঝামাঝি নতুন
প্রজন্মের দূরপাল্লার স্ট্রাটেজিক
বোম্বার তৈরির নির্দেশ দেন। তখন
তিনি বলেছিলেন,
‘আমি জানি এটা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ ও
জটিল। সায়েন্টিফিক-টেকনিক্যাল
দিক থেকেও কাজটা সহজ নয়। কিন্তু
আমাদের শুরু করা প্রয়োজন।
নইলে রাশিয়া পিছিয়ে পড়তে পারে।

Polaris ATV :

বাংলাদেশ আর্মির প্যারা
কমান্ডো টিমের জন্য
আমেরিকা থেকে আনা হয়েছে
Polaris ATV(all-terrain vehicle) ।

হেলিকপ্টার ডেপ্লয়এবল এই
ভেহিকেল গুলো যুদ্ধাবস্থায় যে
কোন পরিবেশে দ্রুততম সময়ে
স্নাইপার পৌঁছে দিতে পারে ।

বিমান বাহিনীর বার্ষিক শীতকালীন মহড়া উইনটেক্স ২০১৭

বিমান বাহিনীর বার্ষিক শীতকালীন মহড়া উইনটেক্স ২০১৭ এর অংশ হিসেবে কুর্মিটোলাস্থ বি এ এফ বঙ্গবন্ধু ঘাটিতে শত্রুপক্ষের উপর আক্রমন পরিচালনার উদ্দেশ্যে বিমান সেনারা এ এন-৩২ পরিবহন বিমান থেকে অবতরন করছে।
মহড়াটি তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়েছেঃ লজিস্টিক এক্সারসাইজ, কমিউনিকেশন এক্সারসাইজ ও লাইভ এক্সারসাইজ ।
মহড়ার উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর বৈমানিকগণ আকাশ যুদ্ধের বিভিন্ন প্রকার রণকৌশলসহ যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে আক্রমণ, ইন্টারসেপশন, আকাশ থেকে শত্রু কবলিত স্থান পর্যবেক্ষণ, রসদ সরবরাহ, সৈন্য ও যুদ্ধাস্ত্র স্থানান্তর, স্পেশাল অপারেশন, অনুসন্ধান ও উদ্ধার মিশনসহ সকল ধরনের কলাকৌশলের অনুশীলন করেন। আকাশ যুদ্ধ ছাড়াও ভূমিতে ঘাঁটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট সকল অনুশীলন করা হয়।

রাশিয়ার তৈরি পরবর্তী প্রজন্মের টেকনোলজি ডেমন্সট্রেটর ফাইটার সুখোই এসইউ-৪৭ ব্যারকুট

রাশিয়ার তৈরি পরবর্তী প্রজন্মের টেকনোলজি ডেমন্সট্রেটর ফাইটার সুখোই এসইউ-৪৭ ব্যারকুট, ফাইটারটি বর্তমানে আন্ডার ডেভপলোমেন্টে রয়েছে, এসইউ-৪৭ টেকনোলজি ডেমন্সট্রেটর ফাইটার হওয়ায় এর সেন্সর এন্ড প্রোসেসিং সিস্টেম হবে অনেক উন্নত এবং শক্তিশালী হবে ইলেকট্রিক ওয়ারফায়ারেও, সেন্সর হিসেবে রয়েছে লং রেন্জ রাডার সিস্টেম,সেলফ ডিফেন্স জ্যামিং প্যাড ও রাডার জ্যামিং প্যাড, অস্ত্রসম্ভারে রয়েছে ১টি ২৩মিমি'র রিভোলার ক্যানন ও ১৪টি মিসাইল-রকেট হার্ডপয়েন্ট... সুখোই ১৯৯০ সালে থেকে নতুন ধরনের বিমান তৈরির কাজ শুরু করে যদিও তারা নিজেদের মত করে কাজ শুরু। পরবর্তীতে এই ধারাবাহিকতায় সু ৩৭ এবং সু ৪৭ বিমান তৈরি করা হয়।সর্বপ্রথম মিগ ৪১ ২০০০ সালে আকাশে উড়ে যা কিনা পরিকল্পনার ৯ বছর পর।শেষ পর্যন্ত মিগের এই বিমানের প্রকল্প বাদ করে দেওয়া হয়। রাশিয়া আবারও পরবর্তী প্রজন্মের বিমান তৈরির জন্য আহবান জানায়।এবার তাদের আহবানে সাড়া দিয়ে ইয়াকোলেব,মিকোয়ান এবং সুখোই এগিয়ে আসে।২০০২ সালে সুখোই এর পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।এর ৫ বছর পর ২০০৭ সালে ব্যয় কমানোর জন্য ভারতকে এই প্রজেক্টে নেওয়া হয়।যদিও আগে চীনকে আহবান করা হয়েছিল কিন্তু চীন রাশিয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখান করে!!